উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কবুরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে বেমেছাল নিসবত মুবারক-পর্ব-২০

 
উম্মুল মু’মিনীন আল ঊলা সাইয়্যিদাতুনা হযরত কবুরা আলাইহাস সালাম উনার সাথে বেমেছাল নিসবত মুবারক-পর্ব-২০

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৩ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১লা সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিশ শুহূরিল আযম শরীফ লাইলাতুস সাবত্ শরীফ (শনিবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, এই কথাগুলি বলি তোমাদের ঈমানী কুওয়াতটা বাড়ানোর জন্য। বুঝতে পাড়লে? যেমন- অনেক সময় আমি নামায পড়তে গেলে দেখা যায় দাঁড়িয়ে না পড়ে বসে পড়তে হয়। অনেক সময় ইশারা দিয়ে পড়ি। নামায বসে পরলে একরকম, ইশারায় পড়তে গেলে অনেক সময় রুকু সিজদাগুলো ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। একদিন হযরত উম্মুল মুমিনীন আল ঊলা কুবরা আলাইহাস সালাম উনি আমাকে বললেনআরে আমাকে বললেই তো আমি ঠিক করে দেই। এটার ফয়ছালা মানুষ কী করবে? বললাম যে, ইশারায় নামায পড়তে গেলে আমার নামায তো ভুল হয়ে যেতে চায়। উনি বললেন যে, আমাকে বললেই তো আমি ঠিক করে দেই। উনি বললেন, উনাকে স্মরণ করলে, উনি পড়ায় দিবেন। এটা মানুষ কি ব্যাখ্যা করবে? অনেকগুলো আছে ব্যাখ্যা করার তো বিষয় না। নিসবতের ব্যাপার, কুরবতের ব্যাপার, মুহব্বতের ব্যাপার। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) দুনিয়াবী দৃষ্টিতে একজন লোকের বাদশার সাথে সম্পর্ক থাকলে সে সব সুবিধা পায়। তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুজুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে এবং হযরত উম্মাহাতুল মুমিনীন আলাইহিন্নাস সালাম উনাদের সাথে সম্পর্ক থাকলে, তাহলে এটার ফয়ছালাটা কী? (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

0 Comments: