আন্তর্জাতিক মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র সুন্নত মুবারক প্রচার কেন্দ্র এবং নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র বিশেষ দিক-নির্দেশনা মুবারক-পর্ব-৪৩
আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ২৬শে শাওওয়াল শরীফ ১৪৪১ হিজরী ইয়াওমুল জুমু‘আহ্ শরীফ জুমু‘আহ শরীফ উনার আলোচনা মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “আমরা একটা স্বপেড়বর কথা বলেছিলাম। জুমাতে বলা হয়নি। রাতে (২৩শে শাওওয়াল শরীফ লাইলাতুছ ছুলাছা শরীফ বা মঙ্গলবার রাত্রে) বলা হয়েছিলো। যে, আমি স্বপেড়ব দেখতে পেলাম, যিনি আমার মহাসম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম উনাকে। তিনি অনেক বড় বুর্যূগ, ওলী আল্লাহ। তিনি একটা বড় মজলিশ করতেছেন। অনেক বড় মজলিশ! সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক পবিত্র সুনড়বাত মুবারক প্রচার কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা করতেছিলেন- এটা যে করা হয়েছে, এটা সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে হবে। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!কিভাবে করতে হবে, এটার একটা প্ল্যান-প্রোগ্রাম করতে হবে। আমি কিন্তু সেখানে ছিলাম না। আমি দূরে ছিলাম। আমাদের একজন লোক সে ছিলো। তখন আমার মহাসম্মানিত শায়েখ আলাইহিস সালাম তিনি আমার কথা জিজ্ঞাসা করলেন, আমি কোথায়? ঐ ব্যাক্তি বললেন, উনি আছেন একখানে। একটা প্ল্যান করতেছেন। আমি তখন আসলাম। উনার সামনে আসলে, তিনি বললেন, এটার কোনো প্ল্যান-পরিকল্পনা করা হয়েছে কি? যে, কিভাবে সারা পৃথিবীতে ছড়ানো যাবে? আমি বললাম, আমি কোশেশ করতেছি, চেষ্টা করতেছি। তিনি আলোচনা করলেন। আলোচনা হয়ে গেল। এরপর তিনি বাহিরে বের হয়ে আসলেন। মজলিশ শেষ হলো। বাহির হয়ে কোথাও যাবেন, আমিও উনার সাথে। কিন্তু আমি বের হয়ে দেখলাম, তিনি আর সেখানে নেই। ওখানে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি। সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! ঐ দিন আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে ব্যতিμম দেখলাম। দেখলাম, তিনি অনেক উঁচু এবং অনেক লম্বা। আমি উনার সাথে কিছু দূর আসার পরে, তিনি আমাকে বলতেছেন যে, আসলে এই বিষয়টা রূহানী জগতে খুব আলোচিত হচ্ছে। এই সুনড়বাত মুবারক প্রচার কেন্দ্রটা সারা পৃথিবী ছড়িয়ে দিতে হবে। এখন কিভাবে, তাহলে প্ল্যান করতে হবে। তিনি আমার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল হুদা মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র মাথা মুবারক) উনার মধ্যে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র নূরুল মাগফিরাত মুবারক (মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাত মুবারক) রেখে বললেন, তাহলে তাড়াতাড়ী করতে হবে। একটা প্ল্যান-পরিকল্পনা করে তারপর সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে হবে। একটা প্ল্যান-পরিকল্পনা করে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিতে হবে, সে ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আমাকে বললেন, আমি শুনলাম। আমি বললাম, হ্যাঁ, করবো। ‘এখন উনাদের রহমত-বরকত, ছাকিনা ছাড়া সেটা সম্ভব না’ আমি সেটা বললাম। যখন স্বীকার করলাম, তিনি খুব খুশি হলেন। এরপরে তিনি অদৃশ্য হয়ে গায়েব হয়ে গেলেন।” সুবহানাল্লাহি ওয়া রসূলিহী ওয়া আহলি বাইতিহী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
তাহলে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সাথে আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমতুল্লিল আলামীন, মুত্বহ্হার, মুত্বহ্হির, আছ ছমাদ, মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা ইমাম খলীফাতুল্লাহ হযরত আস সাফফাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার কত বেমেছাল মহাসম্মানিত তা‘য়াল্লুক্ব-নিসবত মুবারক, সেটা সমস্ত জিন-ইনসান, তামাম কায়িনাতবাসী সকলের চিন্তা ও কল্পনার উর্ধ্বে। এক কথায় তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি নন; এছাড়া সমস্ত শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, বুযূর্গী-সম্মান মুবারক উনাদের অধিকারী হচ্ছেন তিনি। সুবহানা মুর্শিদ ক্বিবলা ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
মহান আল্লাহ পাক তিনি আমাদের সবাইকে হাক্বীক্বী ছহীহ সমঝ, এবং সর্বোত্তম বিশুদ্ধ আক্বীদাহ ও সর্বোচ্চ হুসনে যন মুবারক দান করুন। আমীন!

0 Comments:
Post a Comment