সর্বাবস্থায় সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে দায়িমীভাবে রুজু... পর্ব-২৬

সর্বাবস্থায় সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযুরপাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে দায়িমীভাবে রুজু... পর্ব-২৬

আহলু আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি ১৪৪৫ হিজরী শরীফ উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ১১ই ছফর শরীফ মুতাবিক ২৮শে ছালিছ ১৩৯১ শামসী লাইলাতু সাইয়্যিদি সাইয়্যিদিল আইয়্যাম শরীফ (লাইলাতুল ইছনাইনিল আযীম শরীফ বা সোমবার রাত) মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র ‘ফালইয়াফরহূ শরীফ’ সাইয়্যিদু সাইয়্যিদিল আ’ইয়াদ শরীফ মাহফিল মুবারক-এ ইরশাদ মুবারক করেন, “মানুষের আসলে ক্বিবলা ঠিক নেই। ক্বিবলা ঠিক নেই অর্থ হলো- এদের তো উচিত ছিলো নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে রুজু থাকা। এই দিকে তো এরা রুজু নেই। এরা একেক দিকে রুজু হয়েছে। ডানে বামে গিয়েছে। উচিত ছিলো ঐ দিকে রুজু হওয়া। সেই দিকে তো রুজু হয়নি। আগে দেখা উচিত ছিলো- মহান আল্লাহ পাক তিনি আছেন; ঠিক আছে। এরপরে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কি বলেন, কি করেন ইত্যাদি ইত্যাদি এটা দেখা উচিত। এরপর মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিষয়গুলি বুঝা উচিত। এরপর হযরত নবী-রসূল আলাইহিমুস সালাম উনাদের বিষয়গুলি। এরপরে হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদের বিষয়গুলি পর্যায়μমে। কিন্তু মানুষ তো সেটা করেনি। এরা উল্টো গিয়েছে। এরা কে কি ফতওয়া দিলো, কোথায় ফতওয়া দিলো, ঐ ফতওয়ার পিছনে পড়েছে। যার জন্য তারা মনযিলে মক্বছূদে পৌঁছতে পারেনি। তাসাউফের কিতাবে কতোগুলি বিষয় আছে। যেমন- একটা লোক যখন যিকির-ফিকির, রিয়াযত-মাশাক্কাত করে, তখন তার উরুয হতে থাকে। উরুয মানে তরক্কী হতে থাকে। তখন তাকে অনেক কিছু প্রলোভন দেখানো হয়। এই নেয়ামত, ওই নেয়ামত, অনেক কিছু। তখন সে কোন দিকে যায়, সেটা দেখা হয়। যখন সে মূল দিকে রুজু না হয়ে ডানে-বামে অন্য কোনো দিকে রুজু হয়ে গেলো, সে কিন্তু তাকমীলে কোনো দিন আর পৌঁছাতে পারবে না। একটা স্তর পর্যন্ত সে থেমে থাকবে। যেমন- একটা গাছের ডালা অনেক উপরে সোজা। এটার ডানে-বামে অনেকগুলি ডালা আছে। সে যখন ডানে বামে কোনো ডালার মধ্যে যাবে, তখন কিন্তু উপরে উঠতে পারবে না। ঠিক তাসাউফের মধ্যে এরকম বিষয় রয়েছে। ঈমানের ব্যাপারটা এরকম। মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের বিষয় মুবারকগুলো এরকমই। উনারা বান্দাকে অনেক কিছু দেখান। সে কোন দিকে রুজু হয়। কিন্তু তার তো উচিত ছিলো ক্বিবলা একদম সোজাসুজি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার দিকে রুজু থাকা। সে কিন্তু রুজু থাকতে পারেনি। বুঝতে পারো কি আমার কথা মুবারকগুলি? সে ডানে-বামে গেছে। সে ওমুক ইমাম কি ফতওয়া দিলো, তমুক মুজতাহিদ কি ফতওয়া দিলো? ওমুক ইমাম-মুজতাহিদ কি করলো? এরকম নানানটা দেখে। যার জন্য সে মূলের থেকে সরে গেছে। এই জন্য তার ছহীহ সমঝটা হয়নি। এটা কিন্তু কঠিন একটা বিষয়। এখন এটা আসলে মানুষ কতোটুকু বুঝে জানি না। মানুষ কতোটুকু বুঝবে? কিন্তু এটা তো কঠিন বিষয়। এখন মূল বিষয়টা আমি বললাম বুঝার জন্য। তবে একটা ঘটনা মুবারক আমি বলতে পারি। আমি ঘটনা মুবারকখানা বলিনি কোনো সময়। এটা হলো কমপক্ষে ৫০ বছর আগে। আমি ত্বরীকার সবক্বগুলি শেষ করেছি। সুলূক শেষ হয়েছে। যাই হোক। তখন রিয়াযত-মাশাক্কাত চলছে। কয়েকদিনই হযরত খিযির আলাইহিস সালাম তিনি আমার কাছে আসলেন। এসে আমাকে বলেছেন যে, ‘উনার কাছে তো অনেক ইলিম আছে এটা নেওয়ার জন্য।’ আমি বললাম- ‘আমি তো আপনার থেকে ইলিম নিবো না। আপনার থেকে নিবো কেন? আমি যদি ইলিম সংগ্রহ করি, তাহলে আমি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার থেকে সংগ্রহ করবো।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) উনি চলে গেছেন। কয়েকদিন এসে আর আসেননি। তারপরে আমি স্বপ্নে দেখতেছি- আমাকে উপস্থিত করা হোক বা আমি উপস্থিত হয়েছি সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি কয়েকজন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনাদেরকে নিয়ে তা’লীম মুবারক দিচ্ছেন। আমি ওখানে গিয়ে দাঁড়িয়েছি সামনে। উনি বসা আছেন। আমি উনার কোনাকোনি বাম পাশে দাঁড়িয়েছি। আমি কিছু বলিনি; দাঁড়িয়ে রয়েছি। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি তো সব জানেনই। বলার তো আর প্রয়োজন নেই। তখন উনি বললেন যে, ‘ঠিক আছে; ইলিম তো দিতে হবে।’ আমার কোনো কথা নেই। আমি চুপ করে রয়েছি। শুনতেছি। তখনই নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনাকে ডাকলেন। ডেকে বললেন- ‘আচ্ছা ঠিক আছে; ইলিম দিতে হবে।’ তিনি প্রমে আমাকে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত শিখালেন। আচ্ছা। কিভাবে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করতে হবে শিখলাম। এরপরে আমাকে বললেন যে, ‘তাহলে এক কাজ করতে হবে- তাহলে ইলিম তো দিতে হবে।’ উনি খুব ফয়েজ দিতে থাকলেন।

সুওয়াল: হযরত ইমামুল আউওয়াল আলাইহিস সালাম উনি?

জওয়াব মুবারক: হ্যাঁ; উনি দিতে থাকলেন। নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি তো আছেনই। উনার মাধ্যম দিয়ে দিচ্ছেন বিষয়টা। দিচ্ছেন- প্রমে মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ তেলাওয়াত শিখিয়েছেন আমাকে। শিখেছি আমি। এরপরে বললেন যে, ‘ইলিম দিতে হবে।’ উনি খুব ফয়েয দিচ্ছেন। আমার নাক, কান, চোখ, মুখ এবং সমস্ত শরীর উনার কাতরায় কাতরায় ইলিম প্রবেশ করতেছে। মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ উনাদের যতো ইলিম আছে, সব প্রবেশ করতেছে। প্রবেশ করতে করতে এক সময় প্রবেশ হয়ে গেলো। বাছ; শেষ হয়ে গেলো।

আমার বলার উদ্দেশ্য হলো- এটা একটা পরীক্ষা। হযরত খিযির আলাইহিস সালাম উনি আসলেন- আমি উনার দিকে রুজু হই কি না? আমি বললাম যে, ‘না; আমি তো আপনার কাছ থেকে শিখবো না।’ তিনি কয়েকদিন এসে আমার কাছে অনেক কিছু বললেন। অনেক কিছু দেখালেন। আমি বলেছি‘না; আমি নিবো না।’ উনি চলে গেলেন। তখন আমাকে সরাসরি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সামনে পেশ করা হলো, উনি আমাকে এই ইলিম-কালাম দিলেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!)

এটা একটা বিষয়। যদি ঐ দিকে আমি রুজু হতাম, তাহলে মূল থেকে ফওত হয়ে যেতাম। আমি বুঝেছি এটা। আমি ঐ দিকে রুজু হইনি। ইলিম- কালামসহ সবকিছুর মালিক হচ্ছেন নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি। অন্য কেউ মালিক না। এরকম অনেক ঘটনা আছে। এগুলি দিয়ে পরীক্ষা করা হয়। যদি সে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়, তাহলে তো হয়ে গেলো। আর না হলে তো বাদ হয়ে গেলো। ডানে-বামে ঘুরলো, বাছ; চলে গেলো। আর ইলিম অর্জন করা তো মকছূদ না। মকছূদ হচ্ছেন রেযামন্দি-সন্তুষ্টি মুবারক হাছিল করা। আর মূল ক্বিবলা ঠিক রাখা। কিন্তু মানুষের ক্বিবলাই ঘুরে গেছে। সেটাই আমি বলতেছি যে, আমার বলার উদ্দেশ্য হলো এটা- ক্বিবলা মানুষের ঘুরে গেছে। এরা নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে দেখে না। তারা দেখে ঐ ইমাম কি বলেছে, মুজতাহিদ কি বলেছে। আরে ইমাম সাহেবের তো ভুলও থাকতে পারে। তারপর আরেকটা বিষয়। সেটা হলো- আমি বলেছিলাম, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি জীবনে কোনো দিন কারো কোনো মাজার শরীফ যিয়ারত করবো না। আমি যদি যিয়ারত করি, তাহলে আপনার এখানে আসবো। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) আমি কারোরই যিয়ারত করবো না।’ যার কারণে হযরত খাজা সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনি পাগড়ী মুবারকটা পাঠিয়ে দিয়েছেন। (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) বুঝতে পেরেছো? আমি বলেছি যে, ‘ইয়া রাসূলাল্লাহ! ইয়া হাবীবাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি তো কারো যিয়ারত করবো না। আমার ক্বিবলা ঠিক আছে। আপনার থেকে আমি কোনো দিন সরবো না।’ (সুবহানা মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম!) এখন বলা হয়- পাক ভারতে কেউ যদি বেলায়েত হাছিল করতে চায়, তাহলে খাজা সাহেব রহমতুল্লাহি আলাইহি উনার থেকে অনুমোদন নিতে হয়। অনুমোদন তো আমি নিতে পারবো না। তখন উনি সরাসরি এটা পাঠিয়ে দিলেন। এখন মূল হচ্ছে ক্বিবলা ঠিক রাখা। আর ছহীহ সমঝ, ইলিম-কালাম, আক্বল-বুদ্ধি সবকিছুর মালিক নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি। উনার সাথে যদি নিসবত মুবারক থাকে, কুদরতী ফায়ছালা। আর নিসবত না থাকলে, কোনো ফায়ছালা নেই। ডানে-বামে গেলে কোনো দিন তাকমীলে পৌঁছাতে পারবে না। এরকম অনেক বিষয় আছে। এখন মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ, ইজমা শরীফ, ক্বিয়াস শরীফ- হ্যাঁ; অনেক আছে। সব কিছুর মালিক কে? মালিক উনার সাথে যদি সম্পর্ক থাকে, তাহলে গোলামরা পিছনে ঘুরবে সারা দিন। আর গোলামের সাথে সম্পর্ক থাকলে, মালিক উনার মুহব্বত পাওয়া যায় না। এখন কাশফে কাওনী, কাশফে ইলাহী, ইলমে লাদুন্নী কাওনী, ইলমে লাদুন্নী ইলাহী, অনেক কিছু আছে। ছহীহ সমঝের কোনো শেষ নেই।

সবকিছুর মূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনি। উনার সাথে নিসবত মুবারক রাখতে হবে। আসলে হযরত ছাহাবায়ে ক্বিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তা‘য়ালা আনহুম উনারা ছাড়া কেউ সরাসরি পারবে না, করতে পারেননি। পরবর্তী উম্মতকে তো তার শায়েখ উনার মাধ্যম দিয়ে যেতে হবে। সরাসরি যেতে পারবে না। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাবীব মাহবূব, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার অর্থাৎ উনাদের ইখতিয়ার মুবারক সেটা আলাদা বিষয়।

وَاللهُ يَخْتَصُّ بِرَحْمَتِهٖ مَنْ يَّشَآءُ

“মহান আল্লাহ পাক তিনি যাঁকে ইচ্ছা রহমতে খাছ দান করেন।” সেটাই বললাম যে, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র কুরআন শরীফ, মহাসম্মানিত ও মহাপবিত্র হাদীছ শরীফ বুঝাটা এতো সোজা বিষয় না। উনারা যদি বুঝান, তাহলে বুঝা যাবে।

হযরত ফেরেশতা আলাইহিমুস সালাম উনারা যে বলেছেন-

سُبْحٰنَكَ لَ عِلْمَ لَنَآ اِلَّ مَا عَلَّمْتَنَآ اِنَّكَ اَنْتَ الْعَلِيْمُ الْحَكِيْمُ

“আল্লাহ পাক! আপনি মহান। আমাদের কোনো ইলিম-কালাম নেই। আপনি যতোটুকু শিক্ষা দিয়েছেন, ততোটুকুই আমরা শিখেছি বা শিখবো। নিশ্চয়ই আপনি হচ্ছেন সমস্ত ইলিম ও হিকমত মুবারক উনাদের মালিক।”

এটা ঠিক একইভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার শান মুবারকেও। সব ইলিমের মালিক উনি। উনি পবিত্র। উনি যতোটুকু শিখান, এতোটুকুই। এর বাইরে মানুষ শিখবে কোথা থেকে? জানবে কোথা থেকে? জানবে না। এগুলো বুঝার বিষয়, ফিকিরের বিষয়, আক্বীদাহ্ শুদ্ধ করার বিষয়, সব শুদ্ধ করার বিষয়। এখন সব শুনা এবং সব মানাটাও কঠিন। শুনলেই সব মানা যায় না। আমরা তো অনেক কথা বলি। কতজনে মানে? কেউ প্রকাশ্যে মানে, অন্তরে চূ-চেরা, ক্বীলও ক্বাল করে। (তারা বলে-) ‘কি জানি; এটা কি বললো, জানি না।’ এগুলো বুঝাটা এতো সহজ বিষয় না।”

আহলু বাইতি রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, ক্বায়িম মাক্বামে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, রহমাতুল্লিল আলামীন মামদূহ মুর্শিদ ক্বিবলা সাইয়্যিদুনা হযরত সুলত্বানুন নাছীর আলাইহিস সালাম তিনি আমাদেরকে হাক্বীক্বীভাবে বুঝার তাওফীক্ব দান করুন। আমীন!

0 Comments: