আরবের ইহুদী মহিলার জান্নাত যাওয়ার ঘটনা.....
এই প্রসঙ্গে অনেক আগের একটি ঘটনা যাহা কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে। আরব দেশের এক এলাকায় একজন ইহুদী মহিলা বসবাস করত। সে মারা যাবার পর এক বুজুর্গ ব্যক্তি স্বপে¦ দেখেন যে মহিলাটি বেহেশতে বিচরণ করছে। সে ঈমান এনেছিল কিনা সেটা কেউ জানত না। এটা দেখে সেই বুজুর্গ ব্যক্তি জিজ্ঞেস করলেন, “হে মহিলা! তুমি কি করে জান্নাতে স্থান পেলে? কারণ জান্নাত তো কাফিরদের জন্য হারাম। তুমিতো জাহান্নামে যাওয়ার কথা।” সে বলল, হুযূর ! একটা ঘটনা ঘটে গেছে, সেটা হয়ত আপনার জানা নেই। কি ঘটনা? সে বলল, আমার মৃত্যুর পূর্বে যে রমজান মাস অতিবাহিত হয়েছিল, সেই রমজান মাসে আমি একবার বাজারে গেলাম কিছু খরিদ করার জন্য। সাথে একটা বাচ্চা ছিল, তার বয়স ৩ থেকে ৪ বছর। তাকে কোলে করে নিয়ে কিছু রুটি বিস্কুট খরিদ করে সে বাচ্চার কাছে রাখতে দিলাম। বাচ্চাটা রাস্তার মধ্যে প্রকাশ্যে খাওয়া শুরু করল। আমি তাকে একটা আঘাত বা থাপ্পড় দিয়ে বললাম হে ছেলে, তুমি যদিও বাচ্চা, আর যদিও আমরা মুসলমান নই তবুও এটা মুসলমানদের রমজান মাস, এটাকে সন্মান করতে হবে, তুমি খেওনা। আমি রুটি বিস্কুটগুলো কেড়ে নিলাম তার কাছ থেকে। আল্লাহ পাক এর বদৌলতে পরবর্তী সময়ে আমাকে মৃত্যুর পূর্বেই ইমান নসিব করেছিলেন। যার বদৌলতে আজকে আমি জাহান্নামে না গিয়ে জান্নাতে গিয়েছি (সুবহানাল্লাহ)। এখন চিন্তা করেন। আদনা দরজা হলো যদি কেউ তার মোটামুটি ঈমানের হক আদায় করে নেয়, তাহলে অবশ্যই সে চিরস্থায়ী আজাব থেকে বেঁচে যাবে।
রমাদ্বান-১৪১২, চৈত্র-১৩৯৮, এপ্রিল-১৯৯২ ঈসায়ী

0 Comments:
Post a Comment