২৫৯ নং- সুওয়াল: বিতর নামায কোন সময় পড়া উত্তম?

সুওয়াল: বিতর নামায কোন সময় পড়া উত্তম?
জাওয়াব: বিতর নামায তাহাজ্জুদ নামাযের পরে পড়া উত্তম এবং সুন্নাত। কারণ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সর্বদা বিতর নামায তাহাজ্জুদ নামাযের পরে পড়তেন, কখনো পূর্বে পড়তেন না। এখন অনেকে বলতে পারেন যে, বহু লোক আছে- যারা তাহাজ্জুদ পড়েনা, তাহলে তারা বিতর  নামায কখন পড়বে? অথচ বিতর নামায পড়া ওয়াজিব, আর তাহাজ্জুদ নামায হলো মুস্তাহাব, সুন্নাত। মূলতঃ সকলের জন্যই বিতর নামায ইশার সাথে না পড়াই সুন্নাত। যারা তাহাজ্জুদ পড়বেন, তারা তাহাজ্জুদের পরে বিতর পড়বেন। এটাই হলো খাছ সুন্নাত। আর যারা তাহাজ্জুদ পড়েনা, তারাও ইশার সাথে বিতর না পড়ে ইশার ফরজের সাথে শুধু সুন্নাত ও নফল পড়বে। এতে তাদেরও একটা সুন্নাত আদায় হবে যে, ইশার সাথে বিতর না পড়া। যেহেতু তারা তাহাজ্জুদ পড়েনা, সেহেতু শোয়ার আগে বিতর নামায পড়ে নিবে। যদি সম্ভব হয়, তাহলে দু’চার রাকায়াত নফল নামায পড়ার পর বিতর পড়বে। কিন্তু পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার মধ্যে মুস্তাহাব হলো- তারাবীহ নামাযের পরে জামায়াতের সাথে বিতর নামায আদায় করা। (সিয়াহ সিত্তাহ এবং সমূহ ফিক্বাহ উনাদের কিতাব)
আবা-২০

২৫৮ নং- সুওয়াল : আজকাল অনেক জায়গায় দেখা যায়- জুমুয়া ও ঈদের খুৎবা অনেক বড় করে পড়া হয় এবং নামায সংক্ষিপ্ত পড়া হয়। এখন আমার জিজ্ঞাসা যে, খুৎবার সুন্নতি পরিমাপ কি?

সুওয়াল : আজকাল অনেক জায়গায় দেখা যায়- জুমুয়া ও ঈদের খুৎবা অনেক বড় করে পড়া হয় এবং নামায সংক্ষিপ্ত পড়া হয়। এখন আমার জিজ্ঞাসা যে, খুৎবার সুন্নতি পরিমাপ কি?
জাওয়াব : জুমুয়া ও ঈদের খুৎবা এবং নামাযের পরিমাপ সম্পর্কে মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন,
اطيلوا الصلواة واقصروا الخطبة.
অর্থঃ-  “নামায বড় কর এবং খুৎবা ছোট কর।” অর্থাৎ জুমুয়া ও ঈদের খুৎবা ছোট করতে হবে, আর কিরাত ও  নামায লম্বা করতে হবে। কিতাবে খুৎবার পরিমাপ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উভয় খুৎবা তিওয়ালে মুফাচ্ছাল (সূরা হুজরাত থেকে বুরুজ পর্যন্ত হতে) ছোট হতে হবে, আর  নামায খুৎবা থেকে বড় হতে হবে। অন্য পবিতর হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
طول الصلواة قصر الحطبة مثنة من فقه الرجل.
অর্থঃ- “নামায বড় করা এবং খুৎবা ছোট করা জ্ঞানী লোকের আলামত, এটার বিপরীত করা মূর্খতার পরিচায়ক।”
অতএব, উভয় খুৎবা নামাযের চেয়ে বড় করা অথবা সমপরিমাণ করা সুন্নাতের খিলাফ তথা মাকরূহ্। (বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফ, নাসাঈ শরীফ, আবু দাউদ শরীফ, কুদুরী, বাহরুর রায়েক, আইনী, তাতারখানিয়া, ফতহুল ক্বাদীর, আলমগীরী ইত্যাদি)
বি: দ্র:- এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে হলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার ১০ম সংখ্যা (৩য় বর্ষ ১ম ও ২য় সংখ্যা) দেখুন।
আবা-২০
২৫৭ নং- সুওয়াল: মিম্বর কিসের হওয়া সুন্নত? এটার কোন সুন্নতি মাপ আছে কি?

সুওয়াল: মিম্বর কিসের হওয়া সুন্নত? এটার কোন সুন্নতি মাপ আছে কি?
জাওয়াব: সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে মিম্বর শরীফ উনার মধ্যে দাঁড়িয়ে খুৎবা দিতেন, তা ছিল ঝাউ কাঠের তৈরী এবং তিন সিঁড়ি বিশিষ্ট। ওটার উচ্চতা প্রতি সিঁড়ি অর্ধহাত করে দেড়হাত, প্রশস্ততা ছিল একহাত। দৈর্ঘ্য ছিল প্রতি সিঁড়ি এক ফুট করে দু’হাত। কাজেই কাঠের এবং উপরে বর্ণিত মাপ অনুযায়ী মিম্বর তৈরী করাই খাছ সুন্নাত উনার অন্তর্ভূক্ত। (মিরকাত, আশআতুল লুমআত)
আবা-২০
২৫৬ নং- সুওয়ালঃ  এর্লাম দেয়, এমন ঘড়ি মসজিদে ব্যবহার করা যাবে কি?

সুওয়ালঃ  এর্লাম দেয়, এমন ঘড়ি মসজিদে ব্যবহার করা যাবে কি?
জাওয়াব : যেসব ঘড়ি বাদ্যযন্ত্রের ন্যায় এর্লাম বা আওয়াজ করে, তা মসজিদে ব্যবহার করা জায়েয নেই। শুধু মসজিদেই নয়, এমন ঘড়ি ঘর-বাড়ীতেও ব্যবহার করা যাবেনা। যেহেতু পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেছেন,     
بعثت لكسر المزا مير والاصنام.
অর্থঃ- “আমি বাদ্যযন্ত্র এবং মূর্তিসমূহ ধ্বংস করার জন্যপ্রেরীত হয়েছি।”
আর যে ঘড়িতে সাধারণভাবে আওয়াজ করে, তাও ব্যবহার না করাই আফজল।
আবা-২০
২৫৫ নং- সুওয়াল: বিনা ওযূতে মসজিদে প্রবেশ করা কি?

সুওয়াল: বিনা ওযূতে মসজিদে প্রবেশ করা কি?
জাওয়াব: বিনা ওযূতে মসজিদে প্রবেশ করা মাকরূহ তানযিহী। আর জনাবাত বা অপবিতরতা অবস্থায় প্রবেশ করা মাকরূহ তাহরীমী। (শামী, দুররুল মুখতার)
আবা-২০
২৫৪ নং- সুওয়াল: টুপি ছাড়া পাগড়ী পরিধান করা যাবে কি?

সুওয়াল: টুপি ছাড়া পাগড়ী পরিধান করা যাবে কি?
জাওয়াব: কোন কোন রেওয়ায়েতে দেখা যায় মহান আল্লাহ পাক উনার রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি টুপি ছাড়া পাগড়ী পরিধান করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি বলেন, “আমাদের ও ইহুদীদের মধ্যে পার্থক্য হলো- আমরা টুপিসহ পাগড়ী পরিধান করি, আর ইহুদীরা টুপি ছাড়াই পাগড়ী পরিধান করে থাকে। যার কারণে ইমাম ও মুজতাহীদগণ টুপি ছাড়া পাগড়ী পরিধান করা মাকরূহ্ হওয়ার ফতওয়া দিয়েছেন।
আবা-২০
২৫৩ নং - সুওয়াল: ফরজ গোসলের জরুরত হলে পানির অভাবে তাইয়্যাম্মুম করে  নামায পড়লে,  নামায আদায় হবে কি?

সুওয়াল: ফরজ গোসলের জরুরত হলে পানির অভাবে তাইয়্যাম্মুম করে  নামায পড়লে,  নামায আদায় হবে কি?
জাওয়াব: হ্যাঁ, পানির অভাবে তাইয়্যাম্মুম করে  নামায পড়লে নামায আদায় হয়ে যাবে। পবিতর কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক ফরমান,
وان كنتم مرضى او على سفر او جاء احد منكم من الغائط او لمستم النساء فلم تجدوا ماء فتيموا صعيدا طيبا.
অর্থঃ- “যদি তোমরা অসুস্থ হও অথবা সফরে থাক অথবা কেউ যদি পেশাব-পায়খানা থেকে আস অথবা স্ত্রী ব্যবহার করে থাক, এমতাবস্থায় পানি যদি না পাও, তবে পবিতর মাটি দ্বারা তাইয়্যাম্মুম করবে। পবিতরতা হাসিলের ক্ষেত্রে ওযূ-গোসল এবং তাইয়্যাম্মুম একই হুকুম রাখে, অর্থাৎ সমমর্যাদা সম্পন্ন। তবে শর্ত হলো- পানি পাওয়া গেলে পানির মাধ্যমে ওযূ-গোসলের দ্বারা পবিতরতা হাসিল করতে হবে। আর যদি এক মাইলের মধ্যে পানি পাওয়া না যায়, তাহলে তাইয়্যাম্মুমের দ্বারা পবিতরতা হাছিল করতে হবে।
 আবা-২০
২৫২ নং- সুওয়াল: কোন এলাকায় একই সময় বা একটু আগে-পরে একাধিক মসজিদে আযান হলে, প্রত্যেক আযানের জাওয়াব এবং অঙ্গুলি চুম্বন করতে হবে কি?

সুওয়াল: কোন এলাকায় একই সময় বা একটু আগে-পরে একাধিক মসজিদে আযান হলে, প্রত্যেক আযানের জাওয়াব এবং অঙ্গুলি চুম্বন করতে হবে কি?
জাওয়াব: এক ওয়াক্তে এক আযানের জাওয়াব এবং অঙ্গুলি চুম্বন করাই যথেষ্ঠ। প্রত্যেক ব্যক্তিই নিজ এলাকার বা যে মসজিদে অধিকাংশ সময়  নামায পড়ে থাকে, সেই মসজিদের আযানের জাওয়াব দেবে। আর কোথাও সফরে গেলে সেই এলাকার মসজিদের আযানের জাওয়াব দিতে হবে। আর চলাফেরা অবস্থায় যেকোন মসজিদের আযানের জাওয়াব দিলেই চলবে। তবে একাধিক আযানে নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার নাম মুবারক শুনে চোখে বুছা দিতে পারে। (শামী)
আবা-২০
২৫১ নং- সুওয়াল : যে কোন দিনেই শিঙ্গা লাগানো, নখ ও চুল ইত্যাদি কাটা যাবে কি?

সুওয়াল : যে কোন দিনেই শিঙ্গা লাগানো, নখ ও চুল ইত্যাদি কাটা যাবে কি?
জাওয়াব : না, ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার এবং ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি বা বুধবার শিঙ্গা লাগানো, নখ ও চুল ইত্যাদি কাটা পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে নিষেধ করা হয়েছে। যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে,
قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من احتجم يوم الا ريعاء ويوم السبت فا صابه برص.   
অর্থঃ- নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “যে ব্যক্তি ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি বা বুধবার ও ইয়াওমুস সাবতি বা শনিবার শিঙ্গা লাগাবে, তার শেত্বকুষ্টরোগ হবে।”
          পবিতর হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে আরো বর্ণিত রয়েছে,
النهى عن قص الا ظفار يوم الا ربع فائه يورث البرص.
অর্থঃ- ইয়াওমুল আরবিয়ায়ি বা বুধবার দিনে নখসমূহ কাটা যাবেনা। নিশ্চয়ই ওটা শ্বেতকুষ্ট হওয়ার কারণ।”     
এছাড়া অন্যান্য দিনগুলিতে শিঙ্গা লাগানো, চুল ও নখ ইত্যাদি কাটা যাবে। তবে বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার জুময়ার নামাযের আগে চুল ও নখ কাটা উত্তম।
আবা-২০
২৫০ নং- সুওয়ালঃ নখ কাটার সুন্নাত তরীকা কি? জানালে বাধিত হবো।

সুওয়ালঃ নখ কাটার সুন্নাত তরীকা কি? জানালে বাধিত হবো।
জাওয়াব : হাত ও পায়ের নখ কাটার সুন্নাত তরীকা এক করম নয়।
          হাতের নখ কাটার সুন্নাত তরীকা হলো- প্রথমে ডান হাতের শাহাদাত বা তর্জনী, অতঃপর মধ্যমা, অতঃপর অনামীকা, অতঃপর কনিষ্ঠা অঙ্গুলির নখ কাটা। তৎপর বাম হাতের কনিষ্ঠা, অতঃপর অনামীকা, অতঃপর মধ্যমা, অতঃপর তর্জনী, অতঃপর বৃদ্ধাঙ্গুল এবং সর্বশেষে ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলের নখ কাটা।
          পায়ের নখ কাটার সুন্নাত তরীকা হলো- ডান পায়ের কনিষ্ঠাঙ্গুল থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে বৃদ্ধাঙ্গুলে শেষ করা, অতঃপর বাম পায়ের বৃদ্ধাঙ্গুলী থেকে শুরু করে ধারাবাহিকরূপে কনিষ্ঠাঙ্গুলে শেষ করা।
          উল্লেখ্য যে, হাত ও পায়ের নখ কাটার সুন্নাত তরীকা কয়েক প্রকার বর্ণিত রয়েছে। তবে তার মধ্যে যেটা মশহুর ও আফযল সেটাই উল্লেখ করা হলো। (ইহ্ইয়াউল উলুম)
আবা-২০
২৪৯ নং- সুওয়াল : নিম দাড়ি (বাচ্চা দাড়ি) রাখা কি?

সুওয়াল : নিম দাড়ি (বাচ্চা দাড়ি) রাখা কি?
জাওয়াব : নিম দাড়ি বলা হয় নীচের ঠোঁট ও থুতনির মধ্যবর্তী ছোট দাড়িকে। এটা আলাদা কোন দাড়ি নয় বরং মূল দাড়িরই অন্তর্ভূক্ত। সম্মানিত ইসলামী শরীয়ত উনার হুকুম মোতাবেক নিম দাড়ি কাটাও বিদয়াত ও মাকরূহ। যেমন বুখারী শরীফ উনার শরাহ্ ফয়জুল বারী কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে- ঠোট ও থুতনির মধ্যবর্তী কেশ, দাড়ির অন্তর্ভূক্ত। সেটাও কাটা ও ছাটা নিষেধ। অতএব, নিম দাড়ি রাখাও ওয়াজিবের অন্তর্ভূক্ত।
আবা-২০
২৪৮ নং- সুওয়াল : জুমুয়ার ছানী  আযান মসজিদের ভিতরে না বাইরে দিতে হবে?

সুওয়াল : জুমুয়ার ছানী  আযান মসজিদের ভিতরে না বাইরে দিতে হবে?
জাওয়াব : ইজমা মতে জুমুয়ার ছানী আযান মসজিদের ভিতরে ইমামের সম্মুখে দিতে হবে।  হাদীছ শরীফে আছে- সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সময় থেকে দ্বিতীয় খলীফা হযরত ওমর ফারুক আলাইহিস সালাম উনার খিলাফতকাল পর্যন্ত জুমুয়ার নামাযে অন্যান্য  আযানের ন্যায় একটি মাত্র আযানই প্রচলিত ছিল। অতঃপর হযরত ওসমান আলাইহিস সালাম উনার সময়ে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে পবিত্র মদীনা শরীফ উনার মধ্যে অবস্থিত যাওরা নামক স্থানে দ্বিতীয় আর একটি আযান (বর্তমান প্রথম  আযান) মিম্বরের নিকটে ইমাম ছাহেবের সম্মুখে দেয়া শুরু করেন। তাফসীরে আহকামুল কুরআন, শফি/ইবনুল আরাবী/আবু বকর যাসমাস, তাফসীরে রুহুল মা’আনী, কুরতবী, মাযহারী, ফতহুল বারী, এলাউস্ সুনান, দুররুল মুখতার, শামী, বাদায়ে, ফতহুল ক্বাদীর ইত্যাদি কিতাবে জুমুয়ার ছানী আযান মসজিদের ভিতরে ইমাম ছাহেবের সামনে দেয়ার ব্যাপারে উম্মতের মুহাক্কিক ইমাম ও আলিমগণ উনাদের পবিত্র ইজমা শরীফ মত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।        আরো বিস্তারিত জানতে হলে মাসিক আল বাইয়্যিনাত শরীফ উনার ৯ম সংখ্যায় জুমুয়ার নামায ফরজে আইন ও তার সংশ্লিষ্ট বিষয় সম্পর্কে ফতওয়াটি পড়ুন।
 আবা-১৯ 

জুমার নামায ফরযে আইন ফতোয়া - লিংক